শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
শীতকালে কবুতরকে সুস্থ রাখতে তাদের থাকার জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, সঠিক ও পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা এবং রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত জীবাণুনাশক স্প্রে করা জরুরি। এর পাশাপাশি শীতকালে কবুতরের বাসস্থান গরম জায়গা নির্ধারণ করতে হবে।
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। শীতের আগমনের সাথে সাথে সকল কবুতর পালোকরা একটু বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন। শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে আপনাদেরকে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো। আশা করি পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
পেজ সূচিপত্রঃ শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
- শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত
- শীতকালে কবুতর খামারিদের যে সকল বিষয়ে জানা ভালো
- শীতকালে কবুতরের যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে
- শীত মৌসুমে কবুতরের যত্ন
- শীতকালে কবুতরের খাবার ও পানি
- শীতকালে কবুতরের থাকার জায়গার যত্ন
- শীতকালে কবুতর ছারার নিয়ম
- কবুতর বেচাকেনা এবং দাম
- শীতকালে কবুতরের বাচ্চার যত্ন
- আমাদের শেষ কথা
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
শীতকালে কবুতর যত্ন রাখতে কিছু বিশেষ যত্ন সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এই সময়ে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং কোলাইয়ের মতো ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের প্রকোপ বাড়ে। কবুতর সুস্থ রাখার উপায়গুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে আজকের বিস্তারিত আলোচনা। শীতকালে ঠান্ডা অব বাতাসের কারণে বাতাসের কারণে কবুতরের রোগ বালাই বেশি দেখা যায়। এগুলো থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কবুতরের যত্ন সঠিকভাবে পালন করতে হবে। যাতে কবুতরের রোগ বালাই কম দেখা দেয়।
শীতকালে কবুতর খামারিদের যে সকল বিষয়ে জানা ভালো
শীতকালে কবুতর খামারীদের নানা বিষয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক শীতকালে কবুতরের নানা যত্নআত্নির খবর। কবুতরকে সপ্তাহে ১৫ দিনে বা মাসে অন্তত ১ দিন কিছু সময়ের জন্য উপবাস রাখা। এতে কবুতরের কর্প এ জমে থাকা খাদ্য হজম হয় ফলে বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে থাকে।
- ৪৫ দিন পর পর কৃমির ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। তবে অসুস্থ বাচ্চা আছে সেগুলোকে বাদে বা যেগুলো ১ থেকে ২ দিনের মধ্যে ডিম দিতে পারে এমন বা সে সমস্ত কবুতরের ৭ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটবে বা অসুস্থ থেকে কেবল ভালো হয়েছে এমন কবুতরকে অনুগ্রহ করে দিবেন না।
- আপনার খামার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করবেন। আর এই লক্ষ্যে আপনার খামারকে প্রতিদিন বা একদিন পর পর অন্তত ২ থেকে ৩ দিন পর পর তাদের বিষ্ঠা বা মল পরিষ্কার করা উচিত। কারণ কবুতরের রোগের অন্যতম আরেকটি উপাদান হলো এই মল। এগুলো শুকিয়ে ধোলায় পরিণত হয় এর ফলে নানা ধরনের রোগ জীবাণু ছড়ায়।
- অনেক সময় ভিটামিন প্রয়োগের ফলে পাতলা পায়খানা দেখা দিতে পারে, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনি যে ভিটামিনটি প্রয়োগ করেছেন সেটা নষ্ট হয়ে গেছে, আর এক্ষেত্রে আপনাকে সেই ভিটামিন টা পরিবর্তন করতে হবে। কবুতরের প্রতি সপ্তাহে গোসল দিবার ব্যবস্থা করতে হবে। ফুটান পানি ফিল্টার পানি বা গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করতে হবে। পানির ও খাবারের পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
- শীতের মৌসুম মানেই রোগ বালাই বেশি এই ভুল ধারণা থেকে মুক্ত হতে হবে। আর কবুতর ঝিম ধরে বসে থাকা মানেই রোগ রয়েছে এই চিন্তা করবেন না। শীতের সময় বেশি রোগ হবার কারণ খামার ব্যবস্থাপনা। এই সময়ে দরজা জানালা এমন ভাবে বন্ধ করে রাখা হয় হোলি গ্যাস জমে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ হয়। তাই বাতাস চলমানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
শীতকালে কবুতরের যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে
শীতকালে কবুতরের নানা রোগ দেখা দেয়। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হলো কবুতরের ঠান্ডা লাগা। কবুতর মাথা নিচে দিয়ে ঝিমানো এবং নানা সব ধরনের রোগ ব্যাধি দেখা দেয়। এ সকল রোগ ব্যাধি থেকে বাঁচতে কবুতরের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। স্বাস্থ্যবীথি ও রোগ প্রতিরোধের কবুতরের যত্ন নেওয়া।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ শীত আসার দুই মাস আগে থেকে কবুতরের বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত, কারণ এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
প্রাকৃতিক উপাদানঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে রসুন কুচি ও মধু মিশ্রিত গরম পানি কবুতরকে পান করতে দিতে পারেন।
কৃমির ওষুধঃ ৪৫ দিন অন্তর অন্তর কবুতরকে কৃমির ওষুধ খাওয়ান। তবে অসুস্থ বা বাচ্চা আছে এমন কবুতর কে এই ওষুধ দেবেন না। যাতে রোগ বিধি আরও বেড়ে যেতে পারে।
অসুস্থ কবুতরের যত্নঃ কোন কবুতর অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত অন্য কবুতর থেকে আলাদা করে ফেলুন। অসুস্থ পাখিকে প্রথমে উষ্ণ ও শুষ্ক জায়গায় রাখুন, তারপর পানি শূন্যতা দূর করুন এবং সবশেষে খাবার দিন।
শীত মৌসুমে কবুতরের যত্ন
শীত মৌসুমে কবুতরের যত্ন কিভাবে শীতে কবুতরের যত্ন নিবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো।শীত মৌসুমে কবুতরের নানা রোগ বিধি হয়ে থাকে। এ সকল রোগ নিয়ন্ত্রণে আপনার করণীয় এবং কবুতর ছাড়ার সঠিক সময় সম্পর্কে জানুন।
- সকাল ৯ টার পর কবুতরের ঘর খুলি।
- খাবার পাত্র প্রতিদিন পরিষ্কার করি।
- খাদ্য দিতে শুরু করি।
- কুসুম গরম পানি দেই। বিকালের পানি রোধে রেখে দেই।
- বিকাল ৪.৩০ মি. থেকে খাবার তুলি এবং পানিপাত্র পরিষ্কার করে উল্টিয়ে রেখে দিই।
- সুতি কাপড় দিয়ে খাঁচার সামনের দিকে ঢেকে দেই। বিদ্রোহ সারা বছরের জন্য একটা মশারি প্রতি খাচার জন্য বরাদ্ধ আছে।
- সারা রাতের জন্য কবুতরের ঘরের দরজা জানালা বদ্ধ করে দেই। রাতে কবুতরের ঘরে আলোর ব্যবস্থা রাখি না
- এবং প্রয়োজন ছাড়া আলো জ্বালাতে চেষ্টাও করি না। কবুতরের ঘর কাচা তাই গ্যাস জমার কোন ভয় নেই।
১২ দিন থেকে এক মাসের বেবিদের জন্য বিশেষ খাচা ব্যবস্থা আছে। যার নিচে পাটের বস্তা বিছানো। এই খাঁচায় বয়স অনুপাতে বেবি গুলোকে মা-বাবা থেকে সরিয়ে বিশেষ খাঁচায় রেখে দেই। সকালে কোন বেবি বা কবুতর অসুস্থ বলে মনে হলে আলাদা করে পর্যবেক্ষণ করি এবং রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করি।
মাসের খাবার একসাথে এনে সব ধৌত করে ভালো করে শুকিয়ে রেখে দেই। এবং প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজনীয় খাবার আবার রোদে দিতে সুখিয়ে খেতে দেই। বাজারের গ্রিটের সাথে আমি নিজে ডিমের খোসা, পাথর, কয়লা ইত্যাদি মিশ্র করি।
মাসিক কোন কোর্স বা চক ফলো করি না। তবে মাসে প্রয়োজন ফিল করলে সব ধরনের ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, জিংক বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করি। প্রতি সপ্তাহে একদিন মুক্ত আকাশে ছেড়ে দিয়ে বা প্রয়োজনে হাতে ধরে গোসল করায়।
শীতকালে কবুতরের খাবার ও পানি
শীতকালে কবুতরের খাবার পানি হাঁস মুরগির মতো কবুতরের খাবারে স্বেতসার, চর্বি, আমিষ খনিজ ভিটামিন প্রভৃতি থাকা প্রয়োজন। কবুতর তার দেহের প্রয়োজন এবং আকার অনুযায়ী খাবার খাই। প্রতিটি কবুতর দৈনিক প্রায় ৩০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত খাবার খেয়ে থাকে। প্রধানত গম, ভোট্টা, সরিষা, জব, চাল, ধান ইত্যাদি শস্য দানা খেয়ে থাকে।
কবুতরের খাদ্য তালিকা শীতকালে কবুতরের সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর উৎপাদনের জন্য নিচে খাদ্য মিশ্রণ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। খাদ্য উপাদান ও পরিমাণ: ভুট্টা ৩৫ %,মটর ২০ %,গম ৩০ % ঝিনুকের গুড়া চুনাপাথর ভিটামিন এমাইনো এসিড পিমিক্স ০৭% ও লবণ ০১%।
এর সঙ্গে কবুতরের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে হবে। এক পাত্রে কবুতরের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার ও অন্যপাত্র প্রয়োজন মতো পরিষ্কারও বিশুদ্ধ ঠান্ডা হালকা কুসুম পানি রাখতে হবে। শীতে কবুতরের খুব রোগ ব্যাধি হয়ে থাকে।
এজন্য শীতকালে ঘর বাতাস মুক্ত রাখতে হবে। রাতে ঘরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে হবে। ঘর শুকনো এবং পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরের বাতি নেভানোর আগে কবুতরের খাঁচা পানি পাত্র বের করে রাখতে হবে।
শীতকালে কবুতরের থাকার জায়গার যত্ন
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। শীতকালে কবুতরের থাকার জায়গার যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। উত্তম নিষ্কাশন পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং বালুময় মাটিতে কবুতরের ঘর করতে হবে। যা খামারীর আবাসস্থল থেকে ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে দক্ষিণ মুখী হওয়া উচিত।
মাটি থেকে ঘরের উচ্চতা ২০ থেকে ২৪ ফুট এবং খাঁচার উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট হওয়া ভালো। একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। এরুপ ঘরের মাপ হবে ৯ ফুট ৮.৫ ফুট। কবুতরের খোপ দুই থেকে তিন তলা বিশিষ্ট করা যায়। এরুপ আয়তন প্রতি জোড়া কবুতরের জন্য ছোট কবুতরের জন্য ৩০ সে.মি এবং বড় কবুতরের জন্য ৫০ সে.মি।
খামারের ভিতরে নরম শুষ্ক খড় কোটা রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়ে নিজেরাই বাসা তৈরি করে নাই। ডিম পাড়ার বাসা তৈরির জন্য ধানের খড় কচি গাছের ডগা জাতীয় দ্রব্যাদি উত্তম। খোপের ভিতর মাটির সরা বসিয়ে রাখলে কবুতর সরাতে ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফুটায়।
শীতকালে কবুতর ছাড়ার নিয়ম
শীতকালে কবুতরক সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। শীতকালে কবুতর ছাড়ার নিয়ম সাধারণত শীতকালে কবুতর সঠিক যত্ন ও চিকিৎসা না পাওয়াই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই শীতকালে কবুতরের যত্ন নেওয়া এবং কবুতর কে সঠিক সময়ে ছাড়তে হবে। যাতে কবুতর রোগ ব্যাধি কম হয়।
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। শীতকালে কবুতর দিনে একবার থেকে দুইবার ছাড়াই ভালো। সূর্যের আলো পড়ে এমন জায়গায় কবুতরের খোপ রাখতে হবে। যাতে কবুতর এর ঠান্ডা না লাগে এবং রোগ ব্যাধি কম হয়। কবুতর এর পানি ও খাওয়ার পাত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।
কবুতর বেচাকেনা এবং দাম
কবুতর বেচাকেনা এবং দাম কবুতর ভেদে কবুতর বেচাকেনা হয়। অনেক জাতের কবুতর রয়েছে এর মধ্যে একাত জাতের কবুতরের দাম একেক রকমের কবুতরের দাম এর ভিত্তিতে কবুতর বেচা কেনা হয়ে থাকে। অনেক জাতের কবুতর রয়েছে যেমন : রাজশাহী গিরিবাজ কবুতর, পাকিস্তানি টেডি কবুতর, গোলা কবুতর, লাক্খা,সিরাজি,কালদম এবং অনেক অচেনা নাম রয়েছে।
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। কবুতরের জাতের ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতের কবুতর বিভিন্ন দামে বিক্রি করা হয়ে থাকে। এক কথায় বলা যায় রাজশাহী গিরিবাজ কবুতরের দাম কম এবং পাকিস্তানি বিদেশি কবুতরের দাম বেশি।
শীতকালে কবুতরের বাচ্চার যত্ন
শীতকালে কবুতরের বাচ্চার যত্ন। শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। শীতকালে কবুতরের বাচ্চার ঘর সাধারণত ৩০ সে.মি এবং বড় কবুতরের জন্য ৫০ সে.মি। শীতকালে কবুতর সূক্ষ্ম উঁচু জায়গা রাখতে হবে। কবুতর বন্ধ করার সময় খাবার ও পানির পাত্র বের করে নিতে হবে।
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। কবুত সাধারণত দুইটা করে একজোড়া অবস্থায় থাকে। সাধারণত একটি নর ও একটি মাদা কবুতর দুইটা মিলে হয় এক জোড়া। কবুতর প্রতি মাসে প্রায় এক জোড়া বাচ্চা দিয়ে থাকে। ১৮ দিন পর ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়। দুইটা মাদা হবে না নর হবে এর কোন নিশ্চয়তা নেই।
আমাদের শেষ কথা
শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আমাদের পুরো পোস্ট পড়ার মাধ্যমে আশা করি জানতে পেরেছেন। কবুতর বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা এবং সকল বিষয়ে খবর রাখতে আমাদের ওয়েবসাইট টি ভিজিট করে রাখুন। এবং কোনো পরামর্শ মূলক পোস্ট পেতে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।
আশা করি আপনারা আমাদের পুরো পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ার মাধ্যমে শীতকালে কবুতর সুস্থ রাখার উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এবং কবুতরের নানা রোগের চিকিৎসা জনিত এবং কবুতরের সকল বিষয়ে খবর পেতে আর্টিকেল জুড়ে আমাদের সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ। আবার দেখা হবে অন্য একটি আর্টিকেল পড়ার মাধ্যমে।


.jpg)
.jpg)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url